সোয়াপড’গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে অলি—পুকু প্রজাতির এক কৌতূহলী প্রাণী। ভ্যালির প্রাণীরা একে অপরের শত্রু—ওলি ছোটবেলা থেকে শুনে এসেছে তা। কিন্তু ছোট্ট, কৌতূহলী ওলি জানতে চায়, অন্য প্রজাতির প্রাণীরা কি সত্যিই এতটা ভয়ংকর, যতটা সবাই বলে?
একদিন ফসল উৎসবের সময় অলির দেখা হয় ছোট্ট এক জাভান–আইভির সঙ্গে। ক্ষুধার্ত পাখিটিকে দেখে অলির মায়া হয়। সে তাকে দেখিয়ে দেয় পুকুদের গোপন খাদ্যভান্ডার। কিন্তু এই ছোট্ট সহানুভূতির সম্পর্ক কাল হয়ে ওঠে পুকুদের জন্য।
জাভানরা দল বেঁধে পুকুদের দ্বীপে চলে আসে এবং খাদ্যের দখল নেয়। খাদ্যসংকটে পড়ে পুকুরা, আর নিজের ভুলের ভার বয়ে বেড়াতে থাকে অলি। কিন্তু নিজের ভুল শোধরাতে অলি সিদ্ধান্ত নেয় জাভানদের কাছে যাবে। কিন্তু এক রহস্যময় জাদুকরি ফলের স্পর্শে অলি জাভানে রূপান্তরিত হয়। আর আর সেখান থেকেই শুরু হয় এমন এক যাত্রা, যেখানে শত্রুর শরীরে বেঁচে থাকতে গিয়েই জাভান ও পুকুরা আবিষ্কার করতে থাকে বহু বছর ধরে চাপা পড়ে থাকা সত্যকে।
‘সোয়াপড’–এর গল্পে খুব বেশি নতুনত্ব নেই। শরীর অদল–বদল, ভুল–বোঝাবুঝি, শত্রু থেকে বন্ধু হয়ে ওঠা কিংবা শেষ পর্যন্ত একসঙ্গে সংকট মোকাবিলা—এ ধরনের গল্প আগেও বহুবার বলা হয়েছে। তাই গল্পের মোড় বা পরিণতি খুব একটা বিস্মিত করে না। তবে ‘সোয়াপড’–এর আকর্ষণ অন্য জায়গায়। এই সিনেমা গল্পের টুইস্টকে নিজের শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে না; বরং দর্শককে টেনে নিয়ে যায় তার নির্মিত জগতে। সেই জগতের নাম ‘ভ্যালি’।